Tripura র জন্য সুখবর

মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতাল ও মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এবং ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে খুব শীঘ্রই Tripuraয় থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত একটি শিবির অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আজ পশ্চিমবঙ্গের বোলপুরে অবস্থিত শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে থ্যালাসেমিয়ার সংক্রান্ত একটি শিবিরে অংশ নিয়ে এমন কথায় জানান প্রখ্যাত চিকিৎসক ডাঃ শান্তনু সেন।আজ তিনি জানান, “আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যেই আমরা, আমাদের টিম নিয়ে ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজে গিয়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা সংক্রান্ত শিবির করবো। সেখানে আক্রান্ত শিশুদেরও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ ও পরিষেবা দেওয়া হবে।”রক্তের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে জীবন। অথচ সেই রক্তের জিনগত এক ক্ষুদ্র ত্রুটিই কখনও কখনও মানুষের জীবনে ডেকে আনে দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণা, অনিশ্চয়তা ও লড়াই। থ্যালাসেমিয়া এমনই এক নীরব কিন্তু গুরুতর বংশগত রক্তরোগ, যা আজও সমাজের বহু স্তরে পর্যাপ্ত সচেতনতার অভাবে অজানা কিংবা অবহেলিত থেকে যাচ্ছে। প্রাণ হারাচ্ছে বহু শিশু – কিশোর। এই বাস্তবতাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই মারণব্যাধির হাত থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে, সরকারের সহযোগিতায়, ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতাল ও মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের যৌথ গ্রহণ করেছে। এর প্রথম পর্যায়ে বিবাহযোগ্য বয়সের পুরুষ ও মহিলাদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে HPLC পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়ার বাহক শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের আগাম পরীক্ষা ও সচেতনতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মে থ্যালাসেমিয়ার বিস্তার রোধে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। ের দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে থ্যালাসেমিয়া মেজর আক্রান্ত শিশুদের আশার আলো জাগানো ব্যবস্থা জন্য নেওয়া হবে। ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতাল ও মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহায়তায় HLA Typing এবং I-BMT (ফ্রি বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট) এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যা থ্যালাসেমিয়া মেজর আক্রান্ত শিশুদের জন্য কার্যত নতুন জীবন ফিরে পাওয়ার একমাত্র স্থায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে যে HLA Typing এবং I-BMT পুরো প্রক্রিয়াটা করতে ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়, কিন্তু এখানে এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হবে।ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সভাপতি মলয় পীট বলেন, “সরকার এবং কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতাল ও মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় আমরা ত্রিপুরায় এই ক্যাম্প করতে ইচ্ছুক। আগামী প্রজন্মকে সুস্থ রাখতে, সমাজকে সুন্দর রাখতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকর হবে বলে আমার বিশ্বাস। সকলে সচেতন হলে আমরা থ্যালাসেমিয়া মুক্ত ভারত গড়ে তুলতে পারবো।”********

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *