কুমারঘাট: একের পর এক চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ সোনাইমুড়ি গ্রামের বাসিন্দারা। সম্প্রতি ছাগল চুরির অভিযোগে অসীম দাস নামে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমারঘাটের সোনাইমুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি, দোকানের সামগ্রী ও গৃহস্থালির জিনিসপত্র চুরির অভিযোগ উঠছে। চুরির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে না পারায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।অভিযোগ, কৈলাশহর-কুমারঘাট মূল সড়কের নটিংচড়া এলাকায় চন্দ্রনাথ মালাকারের একটি ছাগল চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় অসীম দাসকে আটক করেন স্থানীয়রা। তিনি পেশায় টুকটুক চালক। তাঁর কাছ থেকে বিস্কুট, একটি চাকু, ব্ল্যাক টেপ-সহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের সন্দেহ, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন। তাঁদের অভিযোগে বাপটু দাস ওরফে দিগেন্দ্রের নামও উঠে এসেছে। তবে এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি।স্থানীয়দের দাবি, অসীম দাস কৈলাশহরের দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে সোনাইমুড়িতে তাঁর শাশুড়ি হ্যাপি দাসের বাড়িতে থাকেন। হ্যাপি দাস স্থানীয় শাসকদলের একজন পঞ্চায়েত সদস্যা বলে জানা গেছে। এই পরিচয়কে ঘিরেও এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে, বাপটু দাস ওরফে দিগেন্দ্র, যিনি সোনাইমুড়ির লাইন সেক্রেটারি বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।রাজেশ মালাকার, রানু মালাকার, বাসনা দাস, অনিমেষ মালাকার ও চন্দ্রনাথ মালাকার-সহ স্থানীয় বাসিন্দারা সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করে চুরির ঘটনাগুলির সঠিক তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি জানান।এলাকায় দীর্ঘদিনের চুরির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সোনাইমুড়ির বাসিন্দারা।
সোনাইমুড়িতে ছাগল চুরির অভিযোগে যুবককে গণপ্রহার, উত্তেজনা
