রেশন দোকানে খাদ্যসামগ্রী না পাওয়ার অভিযোগকে খারিজ করে এর জন্য কিছু রেশন ডিলারের গাফিলতিকেই দায়ী করল ত্রিপুরা ন্যায্য মূল্যের দোকান পরিচালক সমিতির সদর এ.এম.সি. কমিটি। মঙ্গলবার আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সমিতির নেতারা দাবি করেন, রাজ্যে রেশন সামগ্রীর কোনো ঘাটতি নেই; বরং কিছু ডিলার সময়মতো চালান বাবদ অর্থ জমা না দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট দোকানগুলিতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছাতে বিলম্ব হচ্ছে।সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজ্যের বিভিন্ন রেশন দোকানে চাল, ডাল ও চিনিসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য প্রচার করছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়।নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজ্য সরকার ন্যায্য মূল্যের দোকানগুলির মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী সুষ্ঠুভাবে বিতরণের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে। তাই রেশন ব্যবস্থাকে ঘিরে যেসব অভিযোগ সামনে আসছে, তার অনেক ক্ষেত্রেই প্রকৃত কারণ হলো সংশ্লিষ্ট ডিলারদের প্রশাসনিক ত্রুটি বা অর্থ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্ব।সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা ন্যায্য মূল্যের দোকান পরিচালক সমিতির সদর এ.এম.সি. কমিটির সহ-সভাপতি প্রদীপ মজুমদার, সহ-সম্পাদক সজল কুমার দেব, কোষাধ্যক্ষ অনিশ দে-সহ অন্যান্য সদস্যরা।সমিতির পক্ষ থেকে রেশন ডিলারদের সময়মতো প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়, যাতে সাধারণ ভোক্তাদের কোনো ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়।
রেশন সামগ্রীর ঘাটতি নয়, ডিলারদের গাফিলতি! সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি ন্যায্য মূল্যের দোকান পরিচালক সমিতির
