Headlines

তেলিয়ামুড়ার দশমীঘাটে সংঘর্ষ, পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশের লাঠিচার্জ

তেলিয়ামুড়া: দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জনকে কেন্দ্র করে তেলিয়ামুড়ার ঐতিহ্যবাহী দশমীঘাট ও বাইশঘড়িয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়াল। শুক্রবার দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে বিবাদ ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ, টিএসআর ও আধা-সামরিক বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয় বলে জানা গেছে।অভিযোগ, কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকার গোলাবাড়ির ঐকান্তিক ক্লাব এবং বাইশঘড়িয়ার অরুণ উদয় সংঘের সদস্যরা দশমীঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনকে কেন্দ্র করে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। তেলিয়ামুড়ার বিভিন্ন পুজো উদ্যোক্তা পুলিশের অনুমতি নিয়ে প্রতিমা নিরঞ্জন করলেও, সংশ্লিষ্ট দুই ক্লাবের সদস্যরা বিনা অনুমতিতে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।প্রাথমিকভাবে ঘাটে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় বলে জানা গেছে। অভিযোগ, এরপর অরুণ উদয় সংঘের কয়েকজন সদস্য ঐকান্তিক ক্লাবের সদস্যদের বাড়ি ফেরার পথে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। প্রতিমা নিরঞ্জন শেষে ঐকান্তিক ক্লাবের সদস্যরা বাইশঘড়িয়া ব্রিজ হয়ে গোলাবাড়ি ফেরার সময় তাঁদের পথ আটকানো হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে।খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া থানার ওসি জয়ন্ত কুমার দের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী, টিএসআর ও আধা-সামরিক বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে জানা গেছে। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তেলিয়ামুড়ার মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রোহন কৃষাণ।ঘটনা সামাল দিতে গিয়ে তেলিয়ামুড়া থানার ওসি জয়ন্ত কুমার দে এবং তাঁর দেহরক্ষী উৎপল রুদ্রপাল আহত হয়েছেন বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।তেলিয়ামুড়ার ঐতিহ্যবাহী দশমীঘাটে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, সংঘর্ষে কারা জড়িত ছিলেন এবং কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি উঠেছে। তবে এ বিষয়ে দুই ক্লাবের বক্তব্য এবং পুলিশের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনও জানা যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *