তেলিয়ামুড়া: রেশন সামগ্রী বণ্টন নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে তৈরি হওয়া অভিযোগ ও বিভ্রান্তি দূর করতে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন মহকুমা শাসক। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, তেলিয়ামুড়া মহকুমার ৯৩টি রেশন দোকানে ইতিমধ্যেই সুজি, ময়দা ও চিনি পৌঁছে গিয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী গ্রাহকরা বিনামূল্যে এই সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারবেন।সাধারণ মানুষের কাছে রেশন সামগ্রী বণ্টন সংক্রান্ত সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে সংবাদমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন মহকুমা শাসক। তাঁর বক্তব্য, খাদ্য দপ্তরের ঘোষণা অনুযায়ী গ্রাহকদের হাতে নির্ধারিত সামগ্রী পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।এদিকে, সম্প্রতি এক রেশন গ্রাহক প্রাপ্য চাল না পাওয়ার অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হয়। মহকুমা শাসক জানান, সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে তাঁর প্রাপ্য চাল দেওয়া হয়েছে এবং ওই গ্রাহক নিজেও চাল পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে প্রথমবার চাল না পাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তিনি কোনও ব্যাখ্যা দেননি।সাংবাদিক সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট রেশন দোকানের পরিচালনাগত সমস্যার বিষয়টিও উঠে আসে। মহকুমা শাসকের বক্তব্য অনুযায়ী, অসুস্থতার কারণে দোকানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি সাময়িকভাবে দোকান পরিচালনা করতে পারেননি। সেই সময় এক সেলসম্যানকে দোকান পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে রেশন সামগ্রী বণ্টনে সমস্যা তৈরি হয় বলে প্রশাসনের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গিয়েছে। বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজেই দোকান পরিচালনা করছেন বলে জানান তিনি।রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের খাদ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দোকানে সামগ্রী পৌঁছনোর পাশাপাশি সেগুলি যাতে সঠিকভাবে গ্রাহকদের হাতে পৌঁছায়, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। রেশন বণ্টনে কোনও গ্রাহক যাতে বঞ্চিত না হন এবং অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, সেই দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।
তেলিয়ামুড়ার ৯৩টি রেশন দোকানে পৌঁছল সুজি, ময়দা ও চিনি
