দুর্গোৎসবের আগে পানিসাগর মহকুমায় চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে ফের গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আগর বোঝাই একটি গাড়ি রাস্তায় আটকে চাঁদা দাবি, গাড়ি ধাওয়া এবং চালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে একটি ক্লাবের দুর্গোৎসব উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে ব্যবসায়ী মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা নাগাদ কদমতলা-রাজনগর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হোসেন TR-05-0460 নম্বরের অল্টো গাড়িতে বনদপ্তরের বৈধ কাগজপত্রসহ আগর নিয়ে কাঠালতলির উদ্দেশে রওনা দেন। চারুবাসা এলাকায় কালীবাড়ি সংলগ্ন একটি ক্লাবের কয়েকজন দুর্গোৎসব উদ্যোক্তা গাড়িটিকে থামার সংকেত দেন বলে অভিযোগ।চাঁদা দেওয়ার আশঙ্কায় চালক গাড়ি না থামিয়ে ধর্মনগরের দিকে এগিয়ে গেলে, প্রায় ১৫-১৬টি বাইকে ২৫-৩০ জনের একটি দল গাড়িটিকে ধাওয়া করে বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত ধর্মনগরের অফিসটিলা এলাকায় গাড়িটি আটক করা হয়। অভিযোগ, সেখানে চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয় এবং পরে জোর করে গাড়িটিকে ফের চারুবাসা এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে জানালে পানিসাগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ি ও চালককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, বৈধ কাগজপত্র থাকা একটি পণ্যবাহী গাড়িকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা এবং চালককে মারধরের অভিযোগ ওঠার পরও কঠোর ব্যবস্থা না হলে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে।তবে অভিযোগের প্রকৃত সত্যতা তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ক্লাবের বক্তব্যও এখনও জানা যায়নি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী মহল ও স্থানীয়রা।
পানিসাগরে আগর বোঝাই গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, চালককে মারধরের দাবিতে ক্ষোভ
