কল্যাণপুর ব্লকের দক্ষিণ ঘিলাতলী গ্রাম পঞ্চায়েত সংলগ্ন ছনখলা এলাকায় কয়েক সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ থাকা জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা অবশেষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খুলে দেওয়া হয়েছে। মহকুমা প্রশাসনের নির্দেশে রাস্তার ওপর বসানো বাঁশের বেড়া সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি জেসিবি দিয়ে কাটা অংশও মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়।স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়াতিলং ও ছনখলার মধ্যবর্তী পাহাড়ি এলাকায় টিআরপিসির চেয়ারপার্সন পাতাল কন্যা জমাতিয়ার জমি ও বাগান রয়েছে। সম্প্রতি তাঁর বাগানের সীমানার নেট ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েত নির্মিত জনসাধারণের ব্যবহারের ইট সলিং রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে কৃষকসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে সমস্যার সৃষ্টি হয়।পরবর্তীতে ওই রাস্তার ওপর জেসিবি দিয়ে ড্রেন কাটার কাজ শুরু হলে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ জানান। সেই সময় পাতাল কন্যা জমাতিয়ার স্বামী বি.পি. মিনার সঙ্গে গ্রামবাসীদের বচসার অভিযোগও ওঠে। তাঁকে লাঠি নিয়ে তেড়ে আসা এবং স্থানীয়দের ‘বাংলাদেশি’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কল্যাণপুর থানার পুলিশ এবং তেলিয়ামুড়া মহকুমা প্রশাসনের ডিসিএম হরিপদ সরকার। দীর্ঘ আলোচনার পর প্রশাসনের নির্দেশে রাস্তার গর্ত ভরাট করা হয় এবং বাঁশের বেড়া সরিয়ে সাধারণের চলাচলের জন্য পথটি খুলে দেওয়া হয়।ঘটনার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আগামী মঙ্গলবার মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে গ্রামবাসীর প্রতিনিধি ও পাতাল কন্যা জমাতিয়ার উপস্থিতিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাস্তা পুনরায় খুলে দেওয়ায় আপাতত স্বস্তি ফিরেছে দক্ষিণ ঘিলাতলী ও ছনখলা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে।
রাস্তা আটকে বাঁশের বেড়া, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খুলল পথ
