দীর্ঘ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছরের রাস্তার দুর্ভোগের অবসান ঘটল আমবাসা পুর পরিষদের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে। দীর্ঘদিনের মাটির রাস্তা পাকা হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে।স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে বেহাল মাটির রাস্তার কারণে চরম সমস্যায় পড়তে হতো তাঁদের। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিভিন্ন অংশে জল জমে রাস্তা কার্যত চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ত। ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের পাশাপাশি জরুরি পরিষেবাতেও সমস্যার সৃষ্টি হতো।এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের এই সমস্যার কথা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেন ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উত্তম অধিকারী। কাউন্সিলর হওয়ার পরই স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ও দুর্ভোগের বিষয়টি সামনে রেখে তিনি রাস্তার কাজ হাতে নেন।অবশেষে মাটির রাস্তা পাকা হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় এসেছে বড় পরিবর্তন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ প্রায় তিন দশক ধরে তাঁরা যে সমস্যার মধ্যে ছিলেন, তা এবার অনেকটাই দূর হয়েছে। রাস্তা নির্মাণের ফলে শুধু যাতায়াতের সুবিধাই বাড়েনি, এলাকার সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নতি হয়েছে।রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার যুবক থেকে শুরু করে প্রবীণ বাসিন্দারাও। তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় তাঁরা অত্যন্ত খুশি। আগামী দিনেও এলাকার অন্যান্য সমস্যার সমাধানে একইভাবে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশাবাদী তাঁরা।দীর্ঘ অপেক্ষার পর পাকা রাস্তা পাওয়ায় আমবাসা পুর পরিষদের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি।
৩ দশকের দুর্ভোগের অবসান, পাকা রাস্তা পেয়ে স্বস্তি আমবাসার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে
