আগরতলা: লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে রেশন কার্ডধারীদের বিনামূল্যে সুজি, ময়দা ও চিনি বণ্টন নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। রেশন দোকানে খাদ্যসামগ্রী নেই বলে কিছু সিপিআইএম নেতা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।খাদ্যমন্ত্রীর দাবি, ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৫৯ শতাংশ রেশন দোকানে সুজি ও ময়দা পৌঁছে গিয়েছে। আগামী ৩–৪ দিনের মধ্যে সর্বত্র এই দুই সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, আগামী ৫–১০ দিনের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত রেশন দোকানে চিনি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বাইরে থেকে চিনি আনতে হওয়ায় সরবরাহে কিছুটা সময় লাগছে বলে জানান তিনি। ইতিমধ্যেই চিনি বণ্টনও শুরু হয়েছে বলে তাঁর দাবি।মন্ত্রী জানান, রাজ্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রায় ৯ লক্ষ ৯২ হাজার রেশন কার্ডধারী পরিবারকে বিনামূল্যে ২ কেজি ময়দা, ১ কেজি চিনি এবং ৫০০ গ্রাম সুজি দেওয়া হবে। এপিএল, বিপিএল, প্রায়োরিটি গ্রুপ ও অন্ত্যোদয়—সব শ্রেণির রেশন কার্ডধারী পরিবারই এই সুবিধার আওতায় থাকবে।এদিকে, তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে বলে কয়েকজন বিরোধী নেতা মিথ্যা দাবি করছেন বলেও অভিযোগ করেন খাদ্যমন্ত্রী। খাদ্যসামগ্রী বণ্টন নিয়ে রাজনীতি না করে বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করে সংবাদ পরিবেশনের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।পাশাপাশি, যেসব পরিবার এখনও বিনামূল্যের খাদ্যসামগ্রী পায়নি, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী। এখন নজর, ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে রাজ্যের সমস্ত রেশন দোকানে চিনি ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর সরবরাহ সম্পূর্ণ হয় কি না।
৭–১০ দিনের মধ্যে সব রেশন দোকানে চিনি, বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ খাদ্যমন্ত্রীর
