Headlines

লক্ষ্মীপুজোর রাতে বামুটিয়ার কালী বাজারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেল বহু দোকান

বামুটিয়া: লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় ময়লার স্তূপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অল্পের জন্য বড়সড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল বামুটিয়ার কালী বাজারের একাধিক দোকান। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে মোহনপুর দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন সম্পূর্ণ নেভাতে সহায়তা করেন। প্রাথমিকভাবে বাজি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসনের একাংশের।মোহনপুর মহকুমার বামুটিয়া ব্লকের পূর্ব বামুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন এই কালী বাজার এলাকাটির অন্যতম বড় সরকারি বাজার। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজার থেকে নিয়মিত রাজস্ব সংগ্রহ করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের যথাযথ ব্যবস্থা করা হয় না। ফলে বাজারে আবর্জনার স্তূপ জমে থাকে এবং মাঝেমধ্যেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।ব্যবসায়ীদের আরও অভিযোগ, এত বড় একটি সরকারি বাজারে নেই পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, জলের পাম্প কিংবা শৌচালয়। বাজারের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে ক্রেতা-বিক্রেতাদেরও সমস্যার মুখে পড়তে হয়।অন্যদিকে, বামুটিয়া থেকে আগরতলা কিংবা মোহনপুরের দমকল কেন্দ্রের দূরত্ব প্রায় ১৬ থেকে ১৭ কিলোমিটার হওয়ায় জরুরি পরিস্থিতিতে দমকলের ইঞ্জিন পৌঁছতে দেরি হয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাঁদের আশঙ্কা, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ীদের বিপুল ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। সম্প্রতি কালী বাজারের একটি মিষ্টি তৈরির কারখানা অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার ঘটনাও সেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে।লক্ষ্মীপুজোর রাতে ফের অগ্নিকাণ্ডের পর বামুটিয়ায় স্থায়ী দমকল কেন্দ্র স্থাপনের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। পাশাপাশি, বাজারের আবর্জনা পরিষ্কার, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক পরিষেবা চালুর দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও বাজারের পরিকাঠামোগত সমস্যার স্থায়ী সমাধান কবে হবে, এখন সেই প্রশ্নই উঠছে এলাকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *