আগরতলা, ১৪ জুলাই: ট্রাফিক আইন প্রয়োগের মাধ্যমে রাজ্যের সরকারি কোষাগারে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা জমা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ত্রিপুরার পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। তবে সরকারের মূল লক্ষ্য রাজস্ব আদায় নয়, বরং মানুষকে সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে আরও সচেতন করে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা—এমনটাই মন্তব্য করেন তিনি।মঙ্গলবার আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে ত্রিপুরা পুলিশের আধিকারিকদের জন্য আয়োজিত “মোটর ভেহিক্যালস অ্যাক্ট এবং সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলী” বিষয়ক দুই দিনের কর্মশালার উদ্বোধন করে মন্ত্রী এ কথা বলেন।সুশান্ত চৌধুরী বলেন, ট্রাফিক আইন ভঙ্গের কারণে যে চালান কাটা হয়, তার মাধ্যমে সরকারের কোষাগারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ জমা হয়েছে। তবে সরকারের উদ্দেশ্য মানুষকে জরিমানা করা নয়; বরং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা এবং সড়ক দুর্ঘটনা কমানো।তিনি আরও বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি, আইন সম্পর্কে সঠিক ধারণা এবং নিয়মের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমেই দুর্ঘটনার সংখ্যা কমানো সম্ভব। তাই পুলিশ, পরিবহণ দপ্তর এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কর্মশালা ট্রাফিক আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সহায়ক হবে এবং রাজ্যে নিরাপদ সড়ক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ট্রাফিক চালান থেকে রাজ্যের কোষাগারে ৩৫ কোটি টাকা! সড়ক নিরাপত্তায় সচেতনতার ওপর জোর পরিবহণ মন্ত্রীর
