বিশ্রামগঞ্জ থানার অন্তর্গত বড়জলা ও জোড়পুকুর এলাকায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি, দোকান ভাঙচুর ও চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার সকালে অভিযুক্ত বাপ্পি দাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বড়জলা গ্রামের একাংশের মানুষ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, জোড়পুকুর এলাকার রাস্তা দিয়ে বড়জলা গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচল বন্ধ করার জন্য বাপ্পি দাস হুমকি দিচ্ছেন। ওই পথে চলাচল করতে গেলে হামলারও অভিযোগ উঠেছে। জোড়পুকুর এলাকায় বড়জলা গ্রামের কয়েকজনের রেস্টুরেন্ট রয়েছে। একই এলাকায় বাপ্পি দাসেরও একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, প্রায় চার মাস আগে বড়জলা গ্রামের বাসিন্দা জীবন সরকারের দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে ফ্রিজ, চেয়ার-টেবিল, দরজা-জানালা ও রান্নার সামগ্রী নষ্ট করা হয়। পাশাপাশি ক্যাশবাক্স থেকে প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও ওঠে। ঘটনায় জীবন সরকার বিশ্রামগঞ্জ থানায় মামলা করলেও পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।স্থানীয়দের দাবি, এরপর থেকেই বিভিন্নভাবে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি, দোকানের চাবি কেড়ে নেওয়া এবং দরজা-জানালায় লাথি মারার মতো ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন মহিলা অভিযুক্তের দোকানে গিয়ে প্রতিবাদ করেন বলেও গ্রামবাসীদের দাবি।গ্রামবাসীদের প্রশ্ন, “বড়জলা গ্রাম কি কারও কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, নাকি লিজ দেওয়া হয়েছে?” তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হুমকি ও হয়রানির কারণে তারা অতিষ্ঠ। পাল্টা প্রতিবাদের ঘটনায় মহিলাদের বদলে তাঁদের স্বামীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।এদিকে, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় প্রয়োজনে বিশ্রামগঞ্জ থানা ঘেরাও করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গ্রামবাসীরা।তবে বাপ্পি দাসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ও পুলিশের বক্তব্য জানা গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে।
বাপ্পি দাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে বড়জলা, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি
