শারদোৎসবকে ঘিরে প্রতিবারই নতুন ভাবনা নিয়ে হাজির হন আগরতলা ও শহরতলির পুজো উদ্যোক্তারা। এবার পুরাতন আগরতলা এয়ারপোর্ট সংলগ্ন বনমালী ক্লাব এলাকায় বিশ্ব মিলন সংঘের দুর্গাপূজায় থাকছে বিশেষ আকর্ষণ।এবছর নেপালের ঐতিহ্যবাহী জানকী মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে পুজোর মণ্ডপ। মন্দিরের অভ্যন্তরে থাকবে শীষমহলের আদলে বিশেষ কারুকার্য। মণ্ডপ থেকে শুরু করে গোটা পুজো প্রাঙ্গণের সাজসজ্জায় ইতিমধ্যেই জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি।উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবছরের পুজোর আনুমানিক বাজেট ৭ লক্ষ টাকারও বেশি। তবে শুধু বাজেট নয়, এই পুজোর অন্যতম বিশেষত্ব এলাকার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। ক্লাবের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও নিজেরাই মণ্ডপ ও মন্দির চত্বর তৈরির কাজে হাত লাগিয়েছেন।দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য পুজো প্রাঙ্গণে থাকবে পানীয় জল ও বসার ব্যবস্থা। পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন থাকবে নিরাপত্তারক্ষী ও স্বেচ্ছাসেবকরা।উদ্যোক্তাদের আশা, জানকী মন্দিরের আদলে তৈরি মণ্ডপ, শীষমহলের কারুকার্য এবং নজরকাড়া আলোকসজ্জা এবছর দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করবে। ঐতিহ্য, শিল্পকলা ও স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশ্ব মিলন সংঘের দুর্গাপূজা এবার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলেই প্রত্যাশা উদ্যোক্তাদের।
জানকী মন্দিরের আদলে বিশ্ব মিলন সংঘের পুজো, বাজেট ৭ লক্ষাধিক
