ঈদের উৎসবের রাতেই দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার হলেন এক যুবক। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে বিরামপুর এলাকায়। আক্রান্ত যুবকের নাম দেলোয়ার হোসেন। বর্তমানে তিনি কাঠালিয়া সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।জানা যায়, ঈদের দিন সন্ধ্যায় দেলোয়ার হোসেন নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র কেনার জন্য পার্শ্ববর্তী বাঁশপুকুর বাজারে যান। রাত প্রায় সাড়ে ন’টা থেকে দশটার মধ্যে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎই কয়েকজন দুষ্কৃতী তার উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ।আক্রান্ত যুবকের দাবি, চারজন হামলায় জড়িত থাকলেও তিনি তিনজনকে শনাক্ত করতে পেরেছেন। অভিযুক্তরা হলেন ইমাম হোসেন, এলিয়াজ ও মোচতফা। সকলেই বিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।অভিযোগ, অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে লাঠি ও রড দিয়ে দেলোয়ারকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের মানুষ ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে কাঠালিয়া সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।ঘটনা প্রসঙ্গে দেলোয়ার হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিরামপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পাচার বাণিজ্যের সঙ্গে কিছু অসাধু চক্র জড়িত রয়েছে। তার অভিযোগ, “ওরা আমাকে মারতে মারতে বলছিল, তোর জন্য আমাদের পাচারের ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে।”এদিকে হাসপাতালে উপস্থিত দেলোয়ারের বাবা-মা জানান, তারা দিনমজুর পরিবার এবং কোনও বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত নন। ঈদের দিন নিজেদের গ্রামের ছেলেদের হাতে এমন হামলার ঘটনায় তারা হতবাক ও মর্মাহত।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই যাত্রাপুর থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানানো হবে।ঈদের মতো উৎসবের রাতে এই ধরনের ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এখন পুলিশের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
ঈদের রাতেই রক্তাক্ত যুবক! পাচার বাণিজ্যে বাধা দেওয়ার অভিযোগে হামলা বিরামপুরে
