মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা জানান, রাজ্য সরকারের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন এই টি অকশন সেন্টার। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল থেকেই সমঝোতাপত্র (মউ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে কেন্দ্রটি স্থাপনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।ত্রিপুরার চায়ের গুণমান ও পরিচিতি বৃহত্তর বাজারে তুলে ধরা, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বাজার সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের বাজারে পৌঁছনোর সম্ভাবনাও এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, আগরতলার টি অকশন সেন্টার চা উৎপাদকদের বাজারের সুযোগ বাড়াবে, ‘ত্রিপুরা সুন্দরী’ ব্র্যান্ডের পরিচিতি ছড়িয়ে দেবে এবং রাজ্যের চা শিল্পের বাণিজ্যিক বিকাশে নতুন গতি আনবে। সব মিলিয়ে, ত্রিপুরার চা শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত ও সম্প্রসারিত করার পথে এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আগরতলায় টি অকশন সেন্টারের উদ্বোধন, চা শিল্পে নতুন সম্ভাবনা
