আগরতলা: ত্রিপুরার মোহনপুরে এক গৃহবধূকে কেন্দ্র করে পারিবারিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্বামী সুব্রত বণিক ও শাশুড়ি স্বপ্না দাস বণিকের বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, জোর করে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ তুলেছেন সুমিতা বণিক। যদিও এই অভিযোগগুলির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের মাত্র ১ বছর ৪ মাসের মধ্যেই সুমিতার দাম্পত্য জীবনে নেমে আসে অশান্তি। মোহনপুরের সিধাই এলাকার বাসিন্দা সুমিতার অভিযোগ, স্বামীর বাড়িতে তাঁকে বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এমনকি পুজোর ছুটির কথা বলে তাঁকে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার পর শ্বশুরবাড়ির মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।সুমিতার দাবি, তাঁর গর্ভধারণের পর জোর করে ওষুধ খাওয়ানো হয়, যার ফলে দুটি অনাগত সন্তানের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় দমদমা গোডাউনটিলার ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে ফিরতে না পেরে সুমিতা সাব্রুমের লোকনাথ আশ্রমে দিন কাটান। পরে নিজের অধিকার ও ন্যায়বিচারের আশায় স্বামীর বাড়িতে ফিরে গেলেও বাড়ির গেট বন্ধ থাকায় তাঁকে বাইরে অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয় স্তরে একাধিকবার পঞ্চায়েত ও সালিশি বৈঠক হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।একজন নারীকে ঘিরে এমন গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় তাঁর নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, প্রশাসন যেন বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং সুমিতার নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।তবে, অভিযুক্ত স্বামী ও শাশুড়ির বক্তব্য এবং প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।
মোহনপুরে গৃহবধূর উপর নির্যাতনের অভিযোগ, স্বামীর বাড়িতে ঠাঁই নেই সুমিতার
