শান্তিরবাজার, ২৬ জুন: সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে শান্তিরবাজারের মুকুট অডিটোরিয়ামে এক মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধাঞ্জলি ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা পরিষদ, শান্তিরবাজার পৌরপরিষদ, বগাফা ও জোলাইবাড়ী পঞ্চায়েত সমিতি এবং বি.এ.সি-এর যৌথ সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের সূচনা হয় চারাগাছে জল সিঞ্চনের মাধ্যমে। পরে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি দীপক দত্ত। বক্তব্যে তিনি বঙ্কিমচন্দ্রের কালজয়ী সাহিত্যকীর্তি এবং ভারতীয় জাতীয়তাবাদী চেতনায় তাঁর অনন্য অবদানের কথা তুলে ধরেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা মহম্মদ সাজাদ পি (আইএএস), শান্তিরবাজার মহকুমা শাসক তরুণ কান্তি সরকার, শান্তিরবাজার পৌরপরিষদের চেয়ারপার্সন স্বপ্না বৈদ্য, ভাইস চেয়ারপার্সন সত্যব্রত সাহা, জোলাইবাড়ী পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান তাপস দত্ত, জেলা পরিষদের সদস্য সুমন দেবনাথ এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী দেবাশীষ ভৌমিক।আলোচনায় বক্তারা বঙ্কিমচন্দ্রের অমর সৃষ্টি ‘বন্দে মাতরম’-এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং বাংলা সাহিত্য ও জাতীয় চেতনায় তাঁর অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন।অনুষ্ঠানের শেষে জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি কার্যালয় (বিলোনীয়া)-এর সহ-অধিকর্তা মনোজ দেববর্মা উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক অনুপম পাল। স্থানীয় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি শ্রদ্ধা, স্মরণ ও সাংস্কৃতিক আবহে মুখর হয়ে ওঠে।
শান্তিরবাজারে বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মজয়ন্তী উদযাপন, ‘বন্দে মাতরম’-এর চেতনায় শ্রদ্ধার্ঘ্য
