তেলিয়ামুড়া, ২২ জুন: সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক অসহায় বৃদ্ধার মানবেতর জীবনযাপনের খবরের পর দ্রুত পদক্ষেপ নিলেন তেলিয়ামুড়ার বিধায়িকা Kalyani Saha Roy। সোমবার গামাইবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সান্তনা বালা দাসের বাড়িতে গিয়ে তাঁর খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পুনরায় চালুর আশ্বাস দেন।কয়েকদিন আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে আসে বার্ধক্যের ভারে ন্যুব্জ সান্তনা বালা দাসের করুণ জীবনসংগ্রামের কথা। দীর্ঘদিন ধরে চরম আর্থিক সংকট ও অবহেলার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাঁর বৃদ্ধভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দৈনন্দিন জীবনযাপন আরও কঠিন হয়ে পড়ে।সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি বিধায়িকার নজরে এলে তিনি নিজে বৃদ্ধার বাড়িতে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। এ সময় তিনি খাদ্যসামগ্রী, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।বিধায়িকা জানান, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সাময়িকভাবে বৃদ্ধভাতা বন্ধ হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখে পুনরায় ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগ, বাসযোগ্য ঘর এবং শৌচালয়ের মতো মৌলিক পরিকাঠামো নিশ্চিত করার জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।এদিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নিতীন কুমার সাহা। তিনিও বৃদ্ধার সমস্যার কথা শুনে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।শুধু সান্তনা বালা দাস নন, একই এলাকার আরও এক স্বামীহারা অসহায় বৃদ্ধার বাড়িতেও যান বিধায়িকা এবং তাঁর বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।সংবাদ প্রকাশের পর জনপ্রতিনিধির এই দ্রুত হস্তক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের মতে, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিধায়িকা কল্যাণী সাহা রায়। তাঁর এই উদ্যোগে এলাকায় স্বস্তি ও সন্তোষের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় বৃদ্ধার পাশে বিধায়িকা কল্যাণী সাহা রায়
