দিনমজুরের সংসারে নেমে এসেছে চরম অসহায়তা। বহুবার আবেদন করেও জন্মগতভাবে দিব্যাঙ্গ সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়া বিকাশ দাসের জন্য সরকারি ভাতা না মেলায় এবার সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তার পরিবার।জানা গেছে, সদর মহকুমার কাঞ্চনমালা দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাস পেশায় একজন দিনমজুর। তার ছেলে বিকাশ দাস জন্ম থেকেই শারীরিকভাবে দিব্যাঙ্গ। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারে না এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছে। বিকাশের সরকারি দিব্যাঙ্গ (প্রতিবন্ধী) শংসাপত্র থাকলেও, একাধিকবার আবেদন করার পরও এখনও পর্যন্ত তার নামে কোনো দিব্যাঙ্গ ভাতা মেলেনি বলে পরিবারের অভিযোগ।রবিবার দুপুরে বিশ্বজিৎ দাসের স্ত্রী মনিদিপা দাস সংবাদমাধ্যমের সামনে আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, চরম আর্থিক সংকটের মধ্যেই তাদের সংসার চলছে। তিনি বলেন, ছেলে বিকাশের চিকিৎসা, পড়াশোনা ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সরকার যদি দিব্যাঙ্গ ভাতার ব্যবস্থা করত, তাহলে ছেলের চিকিৎসা ও শিক্ষার খরচ বহন করা অনেকটাই সহজ হতো।তিনি রাজ্য সরকার এবং সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের কাছে দ্রুত দিব্যাঙ্গ ভাতার ব্যবস্থা করার আবেদন জানিয়েছেন। এখন দেখার, সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তর শিশুটির আবেদন বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে কি না।
দিব্যাঙ্গ ছেলের ভাতা মেলেনি, চোখের জলে সরকারের দ্বারস্থ দিনমজুর পরিবার
