সিপাহিজলা জেলার বিশালগড়ের রঘুনাথপুর-২ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী হেলেনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক এবং পড়ুয়াদের পরিবার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই কেন্দ্র বন্ধ করে শিশুদের বাড়ি পাঠিয়ে দেন ওই কর্মী। শনিবারও নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন্দ্র বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় গ্রামবাসীদের প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি।স্থানীয়দের দাবি, পাঠদানের পরিবর্তে তিনি প্রায়ই মোবাইল ফোন ব্যবহার ও গল্পগুজবে ব্যস্ত থাকেন। পাশাপাশি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।এছাড়াও অভিযোগ করা হয়েছে, গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের জন্য সরকারের নির্ধারিত পুষ্টিকর খাদ্যসামগ্রী—যেমন ডিম, চাল, ডাল ইত্যাদি—নিয়ম অনুযায়ী বিতরণ করা হয় না। গ্রামবাসীদের দাবি, ডিমের দাম বেশি হওয়ার অজুহাতে বরাদ্দের তুলনায় কম খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে হেলেনা বেগম জানান, অসুস্থতার কারণেই তিনি সেদিন নির্ধারিত সময়ের আগে বাড়ি ফিরছিলেন।তবে গ্রামবাসীদের প্রশ্ন, যদি তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট সিডিপিও (CDPO) কেন বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না? অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্ত ও আনুষ্ঠানিক অবস্থান সামনে এলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
বিশালগড়ের রঘুনাথপুর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে দিদিমণির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসী
