বিদ্যুৎ খরচ কমানোর আশায় বাড়িতে সোলার সিস্টেম বসিয়েছিলেন সোনামুড়ার এক প্রাক্তন বুথ সভাপতি। বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথের বক্তব্যে উৎসাহিত হয়েই তিনি সোলার ব্যবস্থা করেছিলেন বলে অভিযোগ। কিন্তু সোলার বসানোর পরও বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে বলে দাবি তাঁর।অভিযোগ, সোলার ব্যবহারের পর বিদ্যুৎ খরচ কমবে এবং মাসিক বিলের চাপ অনেকটাই কমে যাবে—এই প্রত্যাশাতেই বাড়িতে সোলার ব্যবস্থা করেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে প্রত্যাশিত সুবিধা না মেলায় এখন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ওই প্রাক্তন বুথ সভাপতি।তাঁর দাবি, সরকারের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করা হলেও বাস্তবে সোলার স্থাপনের পর বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য খরচের হিসাব নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। ফলে যে উদ্দেশ্যে সোলার বসানো হয়েছিল, তা কতটা পূরণ হচ্ছে—তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোনামুড়ায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ও সোলার ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ গ্রাহকদেরও প্রশ্ন, সোলার ব্যবহারের পর প্রকৃত সাশ্রয় কতটা হচ্ছে এবং বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণের ক্ষেত্রে কীভাবে হিসাব করা হচ্ছে?
সোলার লাগিয়ে বিপাকে প্রাক্তন বুথ সভাপতি! বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ক্ষোভ সোনামুড়ায়
