Headlines

“‘বাইকে গাঁজা রেখে ফাঁসানো হয়েছে’— ডিওয়াইএফআই সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মোহনপুরে সিপিআইএমের ডেপুটেশন”

মোহনপুর, ১৫ জুনঃ ডি.ওয়াই.এফ.আই মোহনপুর মহকুমা কমিটির সভাপতি সুব্রত গোপ এবং যুব কর্মী রতন সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে মোহনপুর মহকুমায় বিক্ষোভে সরব হলো সিপিআইএম। সোমবার লেম্বুছড়া স্থিত এসডিপিও মোহনপুরের কার্যালয়ে মিছিল করে ডেপুটেশন প্রদান করে সিপিআইএম মোহনপুর বিভাগীয় কমিটি।বাম নেতৃত্বের অভিযোগ, সম্প্রতি মোহনপুর বিধানসভার হরিণাখলা এলাকায় সংগঠনের কাজের উদ্দেশ্যে এক যুব কর্মীর বাড়িতে যান ডি.ওয়াই.এফ.আই মোহনপুর মহকুমা কমিটির সভাপতি সুব্রত গোপ এবং কর্মী রতন সরকার। সেই সময় তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। কোনওক্রমে তাঁরা প্রাণ বাঁচিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন। পরে তাঁদের ফেলে আসা মোটরবাইকে গাঁজা রেখে তাঁদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়।এই ঘটনায় স্থানীয় অজয় দেব নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন বাম নেতারা। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিরোধী কণ্ঠরোধ করতেই এই ধরনের মামলা সাজানো হয়েছে।এসডিপিও কার্যালয়ে ডেপুটেশন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ডি.ওয়াই.এফ.আই মোহনপুর বিভাগীয় কমিটির সম্পাদক তথা বামুটিয়ার বিধায়ক নয়ন সরকার, সিপিআইএম মোহনপুর বিভাগীয় কমিটির সম্পাদক সুদীপ দেবনাথ, সিপিআইএম বামুটিয়া অঞ্চল কমিটির সম্পাদক পার্থ দাস-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা।ডেপুটেশন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নয়ন সরকার ও সুদীপ দেবনাথ জানান, আগামী ২৮ জুন অনুষ্ঠিতব্য ডি.ওয়াই.এফ.আই-এর রাজ্য সম্মেলনকে সামনে রেখে সংগঠনের কর্মসূচি চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। তাঁরা দাবি করেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে হবে এবং সুব্রত গোপ ও রতন সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।তাঁদের আরও অভিযোগ, এসডিপিও মোহনপুর আশীষ দাশগুপ্তের কাছে ডেপুটেশন দিতে গেলেও তিনি কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাম নেতৃত্ব।সিপিআইএমের দাবি, যানবাহনে গাঁজা রেখে বিরোধী ও প্রতিবাদী মানুষকে আইনি জটিলতায় ফাঁসানোর এক নতুন প্রবণতা রাজ্যে দেখা যাচ্ছে, যার প্রতিফলন এবার মোহনপুরেও দেখা গেল। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।এখন নজর পুলিশি তদন্তের দিকে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসে কিনা, সেটাই দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *