Headlines

প্রেমের পর মাতৃত্ব, উধাও যুবক! নবজাতককে নিয়ে থানার দ্বারস্থ কলেজছাত্রী

সাব্রুম, ১০ জুন: প্রেমের সম্পর্কের জেরে গর্ভধারণ, এরপর সন্তানের জন্মের পর অভিযুক্ত যুবকের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার অভিযোগে সাব্রুম থানার দ্বারস্থ হলেন এক কলেজছাত্রী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, শান্তিরবাজার মহকুমার কোয়াইফাং এলাকার নন্দপাড়ার বাসিন্দা রশ্মিতা ত্রিপুরা (১৯) সাব্রুম এমএমডি কলেজের ছাত্রী। পড়াশোনার সুবিধার্থে তিনি সাব্রুমের আনন্দপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। সেই সময়, ২০২৫ সাল থেকে সাব্রুমের বেতাগা এডিসি ভিলেজের সাধুরাম পাড়ার বাসিন্দা সয়েল ত্রিপুরার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সয়েল ত্রিপুরার পিতার নাম সুরেন্দ্র ত্রিপুরা।রশ্মিতার অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন সয়েল। পরবর্তীতে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। গত ৭ জুন রাত প্রায় ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে কলাছড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হন রশ্মিতা। সেখানে তিনি একটি সন্তান জন্ম দেন।অভিযোগ, ৮ জুন সয়েল ত্রিপুরা হাসপাতলে এলেও এরপর থেকে তিনি আর কোনও যোগাযোগ রাখেননি এবং দায়িত্ব এড়িয়ে চলছেন। বাধ্য হয়ে নবজাতক সন্তানকে নিয়ে রশ্মিতা ত্রিপুরা সাব্রুম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।এফআইআরে রশ্মিতা উল্লেখ করেছেন, কীভাবে তাদের মধ্যে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করা হয়।বুধবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রশ্মিতার মামা শ্যামাচরণ ত্রিপুরা ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে চিকিৎসকের বক্তব্যও সামনে এসেছে। বর্তমানে মা ও নবজাতকের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতির দিকেই এখন নজর সকলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *