সাব্রুম, ১০ জুন: সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী অফিসের নির্ধারিত সময় সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। কিন্তু সেই নির্দেশিকা বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে সাব্রুম মহকুমার অন্তর্গত সাতচাঁদ সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) কার্যালয় সহ একাধিক সরকারি দপ্তরে।আজ সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে, নির্ধারিত অফিস সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও বেশ কয়েকজন কর্মচারী অফিসে উপস্থিত হননি। অভিযোগ, অনেকেই সরকারি নির্দেশিকাকে কার্যত বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের সুবিধামতো সময়ে অফিসে আসছেন এবং দাপ্তরিক কাজকর্ম পরিচালনা করছেন।স্থানীয় সূত্রে দাবি, মৎস্য দপ্তরের আধিকারিক অজয় দাস, হেড ক্লার্ক বৃন্তি ত্রিপুরা সহ একাধিক কর্মচারী নিয়মিতভাবে দেরিতে অফিসে আসেন এবং নির্ধারিত সময়ের তোয়াক্কা না করেই অফিস ত্যাগ করেন। একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে আইসিডিএস (ICDS) দপ্তরের বিরুদ্ধেও।স্থানীয়দের বক্তব্য, সরকারি দপ্তরে কর্মচারীদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা পেতে পারেন। কিন্তু অফিসের নির্ধারিত সময় না মানার প্রবণতা জনমনে অসন্তোষের সৃষ্টি করছে এবং সরকারি পরিষেবা ব্যবস্থার প্রতি আস্থার সংকট তৈরি করছে।তবে অভিযুক্ত কর্মচারীদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।এদিকে, বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাতচাঁদ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) সৌরদীপ দেবনাথ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং সরকারি নির্দেশিকা যথাযথভাবে পালন নিশ্চিত করতে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সরকারি সময় ‘কলাপাতা’? সাতচাঁদ ব্লকের দপ্তরগুলিতে দেরিতে হাজিরা ঘিরে বিতর্ক
