তেলিয়ামুড়া: তেলিয়ামুড়া মহকুমার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলে অবৈধভাবে গাছ কেটে কাঠ পাচারের অভিযোগ ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের আলো থেকে রাতের অন্ধকার—বিভিন্ন সময়ে মূল্যবান গাছ কেটে বন উজাড় করা হচ্ছে। অথচ বনদপ্তরের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।বনাঞ্চল সংকুচিত হওয়ায় বন্য হাতিদের খাবার ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকট তৈরি হচ্ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের। এর জেরে হাতির পাল ক্রমশ লোকালয়ের দিকে চলে আসছে। কখনও জাতীয় সড়ক বা আঞ্চলিক সড়কে, আবার কখনও বসতবাড়ির আশপাশে হাতির উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।হাতির হানার আশঙ্কায় বন লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সন্ধ্যার পর অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হতে চাইছেন না। একই সঙ্গে রাতের সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের চালকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।স্থানীয়দের প্রশ্ন, বনাঞ্চল যদি নির্বিচারে ধ্বংস হয়, তাহলে বন্যপ্রাণীরা কোথায় আশ্রয় নেবে? তাঁদের দাবি, অবৈধ কাঠ পাচার বন্ধ করতে দ্রুত কঠোর অভিযান ও নজরদারি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি হাতি চলাচলপ্রবণ এলাকায় মানুষের পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বন ধ্বংস শুধু পরিবেশের ক্ষতি করে না, মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাতও বাড়িয়ে দেয়। তাই তেলিয়ামুড়ার বনাঞ্চল রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
বন উজাড়ের অভিযোগ, লোকালয়ে হাতির হানা! আতঙ্কে তেলিয়ামুড়া
