সোনামুড়া এগ্রি মার্কেটে সরকারি উদ্যোগে ধান কেনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। ২৩ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া দুই দিনের সরকারি ধান ক্রয় প্রক্রিয়ায় এলাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উৎপাদিত ধান নিয়ে বাজারে হাজির হন কৃষকরা। কিন্তু ধানের মান যাচাইয়ের পর নির্দিষ্ট শতাংশ ধান বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে আপত্তি জানান তাঁরা।কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে ধান নিয়ে আসার পর প্রায় ৫ শতাংশ ধান বাদ দেওয়া হলে তাঁদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তাঁদের দাবি, ধান বাজারে আনার আগেই কত শতাংশ ধান বাদ দেওয়া হবে এবং কী কী মানদণ্ড প্রযোজ্য, তা স্পষ্টভাবে জানানো উচিত ছিল।অন্যদিকে ফুড ইনচার্জ রাজ মলসন জানান, ধানের গুণমান যাচাইয়ের পর নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট শতাংশ বাদ দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, বড় ধানের ফলন ভালো না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরকারি পর্যায়ে এই ধরনের ধান সাধারণত কেনা হয় না। তবে FCI-এর বিশেষ অনুমতি নিয়ে সোনামুড়ায় ধান কেনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ফুড ইনচার্জ রাজ মলসন এবং এগ্রিকালচার ইন্সপেক্টর সুব্রত দেববর্মা। দীর্ঘ আলোচনার পর উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে ধান কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।এরপর কৃষকরাও সেই সিদ্ধান্তে সম্মতি জানান এবং পুনরায় ধান কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আলোচনার মাধ্যমে সাময়িকভাবে সমস্যার সমাধান হলেও ভবিষ্যতে ধান বাজারে আনার আগেই মানদণ্ড ও বাদ দেওয়ার শতাংশ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।
সোনামুড়ায় সরকারি ধান কেনায় উত্তেজনা, ৫ শতাংশ বাদ দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ
