কাঞ্চনপুরের শ্রীরামপুর এলাকায় স্বস্তি সমবায় সমিতির জমি বণ্টনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের অভিযোগ উঠেছে। জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং ন্যায্য বণ্টনের দাবিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন স্থানীয় বাসিন্দা সুব্রত নাথ।সুব্রত নাথের অভিযোগ, শ্রীরামপুর এলাকার গুরুসদয় নাথ ও কৃপাশু নাথের নামে থাকা মোট ৩ একর ৪৭ শতক জমি পরবর্তীতে কাকা-ভাতিজার মধ্যে ভাগ হয়। এরপর কৃপাশু নাথের চার ভাইয়ের মধ্যে জমি বণ্টনের বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু তাঁদের এক ভাই বিয়ের পর দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকায় তাঁর নিঃসন্তান স্ত্রী জমির অংশ পেয়েছেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুব্রত।এছাড়াও কৃপাশু নাথের তিন ভাইয়ের মধ্যে জমি সমানভাবে বণ্টন না হওয়ার অভিযোগও সামনে এনেছেন তিনি। তাঁর দাবি অনুযায়ী, বলরাম নাথের নামে ১০৭ শতক, হিমাংশু নাথের নামে ১৫ শতক এবং শিতাংশু নাথের নামে মাত্র ১২ শতক জমি রয়েছে। এই অসম বণ্টনের নেপথ্যে কী রয়েছে, তা নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।সুব্রত নাথ জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার কাঞ্চনপুরের স্বস্তি সমবায় সমিতি এবং মহকুমা শাসকের দপ্তরে যোগাযোগ ও আবেদন করা হলেও এখনও পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি।শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জমির নথিপত্র খতিয়ে দেখে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং ন্যায্যভাবে জমি বণ্টনের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের আবেদন জানান তিনি।তাঁর দাবি, দীর্ঘদিনের এই জমি-বিরোধের অবসানে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত অধিকারীদের ন্যায্য অংশ নিশ্চিত করা হোক।অন্যদিকে, গোটা অভিযোগ ও জমি বণ্টন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাঞ্চনপুর স্বস্তি সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান কমলকৃষ্ণ নাথের বক্তব্যও নেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে এই বিরোধের বিষয়ে সমিতির অবস্থান কী, তা জানার অপেক্ষা রয়েছে।
স্বস্তি সমবায়ের জমি বণ্টনে দীর্ঘদিনের বিরোধ! মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি
