কমলপুর মহকুমার কচুছড়া থানার কবিরাজ টিলা এলাকার সালেমা কলোনি নং-২ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে কেন্দ্রের তালা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দুটি গ্যাস সিলিন্ডার, একটি ইনভার্টার এবং সোলার ব্যবস্থার তার নিয়ে পালিয়েছে চোরের দল।সোমবার সকালে প্রতিদিনের মতো কেন্দ্রে এসে দিদিমণি দরজার তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। ভিতরে ঢুকে সামগ্রী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন তিনি। পরে স্থানীয় বাসিন্দা, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং কচুছড়া থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভাঙা তালা ও কেন্দ্রের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে।তবে কখন এবং কীভাবে চোরেরা কেন্দ্রে ঢুকল, কিংবা এই ঘটনায় কারা জড়িত—তা এখনও স্পষ্ট নয়।এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, চুরির আগেও একাধিকবার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের তালা নড়চড় বা বাঁকানো অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। সন্ধ্যার পর কেন্দ্রের আশপাশে বিভিন্ন ধরনের আড্ডা বসে বলেও অভিযোগ তাঁদের। যদিও সেই আড্ডার সঙ্গে চুরির ঘটনার কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।চুরির পাশাপাশি কেন্দ্রটির পরিকাঠামোগত সমস্যাও সামনে এসেছে। দিদিমণির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কোনও হেল্পার নেই। ফলে একাই শিশুদের দেখাশোনা থেকে শুরু করে কেন্দ্রের অন্যান্য কাজ সামলাতে হচ্ছে তাঁকে। রয়েছে পানীয় জলের সমস্যাও। জল সরবরাহ থাকলেও তা ব্যবহার নিয়ে সমস্যার কারণে শিশুদের বাড়ি থেকে বোতলে করে জল আনতে হয় বলে অভিযোগ।ফলে একদিকে নিরাপত্তার অভাব, অন্যদিকে কর্মী ও পানীয় জলের সংকট—সব মিলিয়ে সালেমা কলোনি নং-২ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পরিষেবা ও পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার করার পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। সন্ধ্যার পর কেন্দ্রের আশপাশে নজরদারি বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে কচুছড়া থানার পুলিশ।
অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে রাতের অন্ধকারে চুরি! উধাও ২ সিলিন্ডার, ইনভার্টার ও সোলারের তার
