ত্রিপুরাকে পর্যটন ও বিনিয়োগের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে ‘ডেসটিনেশন ত্রিপুরা’ উদ্যোগকে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বলে মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, রাজ্যের পর্যটন, বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে শীঘ্রই আলোচনা করবেন।মুখ্যমন্ত্রীর মতে, ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে ত্রিপুরার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশ-বিদেশের পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সরকার একাধিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হলে পর্যটন, বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বিভিন্ন সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হবে।মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ‘ডেসটিনেশন ত্রিপুরা’ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং পর্যটন শিল্প নতুন গতি পাবে। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ত্রিপুরার পরিচিতি আরও বৃদ্ধি পাবে।
‘ডেসটিনেশন ত্রিপুরা’ নিয়ে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের ইঙ্গিত
