ধলাই জেলা হাসপাতালের চিকিৎসা বর্জ্য ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয় এলাকায়। অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে নির্গত বিপজ্জনক জৈব-চিকিৎসা বর্জ্যের কারণে প্রায় ৮ থেকে ১০ কানি কৃষিজমি চাষাবাদের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি দূষণের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মাছ চাষ এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও।স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালের ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, স্যালাইনের বোতল এবং অন্যান্য বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য সঠিকভাবে নিষ্পত্তি না করে সুয়ারেজ লাইনের মাধ্যমে পাশের কৃষিজমিতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে জমিতে জমে থাকা দূষিত জল ও বর্জ্যের কারণে চাষাবাদ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।শুধু কৃষিজমিই নয়, অভিযোগ অনুযায়ী বর্জ্য মিশ্রিত জল পাশের পুকুরগুলিতেও গিয়ে পড়ছে। এতে মাছ চাষের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে এবং এলাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এলাকাবাসীদের বক্তব্য, এই সমস্যা নতুন নয়। কয়েক বছর আগেও বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছিল। এমনকি তৎকালীন জেলাশাসক এলাকা পরিদর্শন করে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোনও স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতির জেরে ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার মানুষ। তাঁদের দাবি, দ্রুত হাসপাতালের বর্জ্য অপসারণ করে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তাঁরা।এ বিষয়ে ধলাই জেলা হাসপাতালের মেডিকেল সুপারের প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, তিনি বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এদিকে প্রশাসনের তরফে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে রাস্তা অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
হাসপাতালের বর্জ্যে নষ্ট চাষের জমি! ধলাই জেলা হাসপাতালের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা
