Headlines

‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে’— গোমতীতে ৯.৯২ কোটি টাকার কৃষি বাজার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর, বড় বার্তা কৃষিমন্ত্রীর

আগরতলা, ৩০ জুলাই: কৃষকরা দেশের প্রকৃত অন্নদাতা। তাঁদের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক অগ্রগতি সম্ভব নয়। কৃষকরা যদি উৎপাদন বন্ধ করে দেন, তাহলে দেশের উন্নয়নও থমকে যাবে। গোমতী জেলার পালাটানায় আধুনিক গ্রামীণ কৃষি বাজারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং দুটি নতুন কৃষি বাজারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করেন রাজ্যের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতন লাল নাথ।এদিন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দফতরের উদ্যোগে ৪ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পালাটানায় একটি আধুনিক গ্রামীণ কৃষি বাজারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তুলামুড়া দ্বিতল কৃষি বাজার এবং ৩ কোটি ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত গর্জি দ্বিতল কৃষি বাজারের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। মোট প্রায় ৯ কোটি ৯২ লক্ষ টাকার কৃষি বাজার প্রকল্পের সূচনা হয় এদিন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রতন লাল নাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কৃষকদের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য সার, ভর্তুকি এবং বিভিন্ন সরকারি সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ভর্তুকির সুবিধা শুধুমাত্র প্রকৃত কৃষকদের কাছেই পৌঁছে দেওয়া হবে এবং কোনো মধ্যস্বত্বভোগীকে এর সুযোগ নিতে দেওয়া হবে না।মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকদের স্বার্থে বাজার পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। বর্তমানে রাজ্যে ৫৫৪টি কৃষি বাজার রয়েছে, যার মধ্যে ৮৪টি প্রাথমিক পাইকারি বাজার, ২১টি কৃষি উৎপাদন বাজার এবং ৪৭০টি গ্রামীণ বাজার।তিনি জানান, ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ পর্যন্ত আট বছরে রাজ্যে ২০৪টি বাজার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর জন্য ৪৬১ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকারও বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের পাঁচ বছরে মাত্র ৭১টি বাজার উন্নয়নে ২০ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছিল।গোমতী জেলার প্রসঙ্গ টেনে কৃষিমন্ত্রী জানান, গত সাড়ে সাত বছরে জেলায় ৩৮টি বাজার উন্নয়ন প্রকল্পে ৮৬ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকারও বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার এবং কৃষি দফতরের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *