Headlines

জগন্নাথ মন্দিরের ₹৮.৩৮ লক্ষের প্রকল্প ঘিরে বিতর্ক, মুখোমুখি জিতেন্দ্র চৌধুরী ও মন্দির কমিটি

সাব্রুম, নিজস্ব প্রতিনিধি:দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম বিধানসভার পূর্ব হরিণা গ্রাম পঞ্চায়েতের জয় জগন্নাথ মন্দিরে সেট নির্মাণের জন্য বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে বরাদ্দ হওয়া ৮ লক্ষ ৩৮ হাজার টাকার প্রকল্প হঠাৎ বাতিল হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।তথ্য অনুযায়ী, বিরোধী দলনেতা ও ৪০ নম্বর সাব্রুম বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক জিতেন্দ্র চৌধুরী তাঁর বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে রতনমনি এডিসি ভিলেজের বুদ্ধ মন্দির, বরখোলা হরিচাঁদ ঠাকুর মন্দির এবং পূর্ব হরিণার জয় জগন্নাথ মন্দিরের উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছিলেন। জয় জগন্নাথ মন্দিরে সেট নির্মাণের জন্য মোট ৮ লক্ষ ৩৮ হাজার টাকা অনুমোদন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে কাজের বরাতও দেওয়া হয়।তবে অভিযোগ, নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার আগেই স্থানীয় কিছু ব্যক্তির বাধার মুখে কাজ এগোতে পারেনি। পরবর্তীতে গত ১৬ জুলাই মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকল্পটি বাতিল সংক্রান্ত নোটিশ জারি করা হয় বলে জানা গেছে। এরপরই এলাকায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।এদিকে, জয় জগন্নাথ মন্দির কমিটির সম্পাদক সুদর্শন চক্রবর্তী দাবি করেন, প্রকল্পের বিষয়ে সরকারি কোনো নথি তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি। কী কারণে কাজ বন্ধ হয়ে গেল বা কার উদ্যোগে তা বাতিল হলো, সে সম্পর্কেও তাঁদের কাছে স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই।অন্যদিকে, বিধায়ক জিতেন্দ্র চৌধুরী জানান, আবেদন পাওয়ার পর তিনি উন্নয়ন তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ করেছিলেন এবং কাজের জন্য টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডারও জারি হয়েছিল। কিন্তু নির্মাণস্থলে গিয়ে দপ্তরের কর্মকর্তারা স্থানীয় কিছু ব্যক্তির বাধার সম্মুখীন হওয়ায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। তাঁর দাবি, এরপর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে কেউ যোগাযোগ করেননি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু না হওয়ায় বরাদ্দ অর্থ প্রত্যাহার (ল্যাপস) হয়ে যায়।তবে এই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। প্রকল্প বাতিলের প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। এদিকে, বিষয়টি ঘিরে সাব্রুমের রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *