দলবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না— স্পষ্ট ভাষায় এমনই কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এক দলীয় কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, সংগঠনের ভিত নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি পরিস্থিতি মোকাবিলায় “কেমোথেরাপি” দেওয়ার প্রয়োজন পড়লেও দল পিছপা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, দলের ভেতরে থেকে কেউ যদি শৃঙ্খলাভঙ্গ করে বা সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য, “দলের শরীরে যদি কোনো রোগ বাসা বাঁধে, তাহলে সময়মতো কেমোথেরাপি প্রয়োজন হয়।”এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। শাসকদলের একাংশের মতে, সংগঠনকে শক্তিশালী রাখতেই মুখ্যমন্ত্রী এই কড়া অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা এই মন্তব্যকে ভয় দেখানোর রাজনীতি বলে কটাক্ষ করেছে।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য নতুন করে দলীয় শৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে জল্পনা উসকে দিয়েছে।
“দলবিরোধী কর্মকাণ্ডে কড়া বার্তা! ‘কেমোথেরাপি’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর”
